ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ দিকে তাকিয়ে থাকবে পর্তুগাল ও সুইডেন
ইউরো কাপের বাছাইপর্বে প্রায় একক কৃতিত্ব দেখিয়ে দলকে চূড়ান্ত পর্বে তুলে এনেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। মূল আসরে সাফল্যের জন্যও দলের সেরা এই দুই তারকার দিকে তাকিয়ে থাকবে পর্তুগাল ও সুইডেন। দলগতভাবে তাঁরা সাফল্য পাবেন কি না, তা নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই। তবে ব্যক্তিগতভাবে দারুণ একটি রেকর্ড গড়ার হাতছানি আছে রোনালদো ও ইব্রাহিমোভিচের সামনে।
১৯৮৪ সালের ইউরো কাপে ফরাসি কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনি এমন এক রেকর্ড গড়েছিলেন যা আজ পর্যন্ত অটুট আছে। সেবার মাত্র পাঁচটি ম্যাচ খেলেই প্লাতিনি করেছিলেন ৯টি গোল। এক আসরে তো বটেই, ইউরো কাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও সবার ওপরে আছে প্লাতিনির নাম। গত ৩২ বছরে একাধিক আসরে অংশ নিয়েও কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারেননি প্লাতিনিকে। তবে এবারের আসরে ফরাসি কিংবদন্তিকে ছুঁয়ে ফেলার বা ছাড়িয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ আছে রোনালদো ও ইব্রাহিমোভিচের সামনে।
রোনালদো ও ইব্রা; দুজনেই তিনবার করে খেলেছেন ইউরো কাপের চূড়ান্ত পর্বে। আগের তিনটি আসর মিলিয়ে দুজনেই করেছেন ছয়টি করে গোল। আর মাত্র তিনটি গোল করলেই প্লাতিনিকে ছুঁয়ে ফেলতে পারবেন তাঁরা। আর চারটি গোল করলে গড়তে পারবেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড।
গোল গড়ের দিক থেকে অবশ্য রোনালদোর চেয়ে এগিয়েই আছেন ইব্রাহিমোভিচ। ছয়টি গোল করার জন্য রোনালদো খেলেছেন ইউরো কাপের ১৪টি ম্যাচ। গোলগড়: ০.৪৩। আর ০.৬০ গোলগড় নিয়ে ১০টি ম্যাচ খেলেই ছয়টি গোল করেছিলেন ইব্রাহিমোভিচ।
ইউরো কাপে দুইটি ম্যাচে মাঠে নামলে আরেকটি রেকর্ড গড়তে পারবেন রোনালদো। পর্তুগালের জার্সি গায়ে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডে ছাড়িয়ে যাবেন লুইস ফিগোকে। ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ফিগো খেলেছেন ১২৭টি ম্যাচ। আর রোনালদো ইউরো কাপ শুরু করতে যাচ্ছেন ১২৬টি ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে।
আগামীকাল সোমবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ইব্রাহিমোভিচের ইউরো কাপ মিশন। আর রোনালদোর পর্তুগাল, আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি খেলবে আগামী বুধবার।
Post a Comment