তানভীরের বোলিংয়ে উড়ে গেলো ইংল্যান্ড
আগে ব্যাট করে ২৯৪ রান করে বিসিবি একাদশ। সবোর্চ্চ ১০৬ রান করেন আবদুল মজিদ। এক পর্যায়ে ২ উইকেটে ২০৭ রান ছিল বিসিবি একাদশের স্কোর।
তবে এরপরই নিয়মিত আউট হতে থাকেন ব্যাটসম্যানরা। ২০৭ রানে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে দিয়ে শুরু এরপর বাকি সাতজন ব্যাটসম্যান মিলে সংগ্রহ করেছেন ৮৭ রান।
ব্যক্তিগত ৪৭ রানে সৈকতের পর দারুণ খেলতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত বিদায় নেন ৭২ রান করে। দলের রান তখন ২২৮। উইকেটে এসে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সাদমান হোসেন। ১১ বলে ২ রান করে বিদায় নেন তিনি।
২৫৩ রানে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায় নেন তানভীর হায়দার। এরপর উইকেট যাওয়া আসা ঠেকাতে ৯২ রানে রিটায়ার্ট হার্ট হওয়া আবদুল মজিদকে আবার ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়। উইকেটে এসেই আবারো ঝড়ো ব্যাটিং করতে থাকেন তিনি।
৯৫ বলে ১০৬ রান করে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা এই তরুণ। মজিদ ফেরার খানিক বাদে টেস্ট দলে জায়গা করে নেওয়া নুরুল হাসান সোহানকে ফেরান বাটি। এরপর তাসকিন ও আল আমিন ফিরে যান খুব দ্রুত। শেষ পর্যন্ত ২৯৪ রানে অলআউট হয়ে যায় বিসিবি একাদশ।
ব্যাটিংয়ের নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল ইংল্যান্ড। দলীয় ১১৫ রানে জো রুটকে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসবন্দী করেন তানভীর হায়দার। রুট আউট হবার পরই বদলে যেতে থাকে দৃশ্যপট।
এরপর জনি বেয়ারস্টো ও জস বাটলারকেও ফিরিয়ে দেন তানভীর। ১৮২ রানে চতুর্থ উইকেট হিসেবে বেন স্টোকসকে ফিরিয়ে দেন শুভাশিষ রায়। ২০১ রানে মঈন আলীকে ফেরান সৈকত।
দলীয় ২১২ রানে রান আউট হয়ে ফিরে আসেন জাফর আনসারি। বেন ডাকেট ৬০ রান ও অপর ওপেনার হাসিব হামিদ ৫৭ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন। শেষ পযন্ত ২৫৬ রান করলে ম্যাচটি ড্র ঘোষনা করা হয়। বাংলাদেশের হয়ে তানভীর হায়দার নেন ৪ উইকেট। তাছাড়া তাসকিন, শুভাশিষ, মোসাদ্দেক নেন ১ টি করে উইকেট।
Post a Comment