বাংলাদেশে অাসতে রাজি ইংল্যান্ডের এক ক্রিকেটার
ইসিবির প্রতিনিধিদলে আছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রেগ ডিকাসন ও ক্রিকেট অপারেশনস পরিচালক জন কার। খেলোয়াড়দের সংগঠনের (পিসিএ) প্রতিনিধি হিসেবে আছেন ডেভিড লিদারডেল। এঁদের ওপর আস্থা আছে জানিয়ে অ্যান্ডারসন বলেছেন, ‘রেগ তাঁর কাজে দুর্দান্ত, গত ১০ বছর ধরেই তিনি আমাদের নিরাপত্তার ব্যাপারটি দেখছেন। পিসিএর ডেভিডও আছেন। তাঁরা দেশে ফিরে এলেই মতামত জানতে পারব। এই সফর নিয়ে কোনো সমস্যা থাকলে নিশ্চয়ই তাঁরা সেটা বলবেন। তাঁদের সামর্থ্যে আমাদের আস্থা আছে।’
সফর হবে কি না, এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পুরো দায়িত্ব ইসিবির নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি, ‘এই সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের হাতে নেই, এটা থাকা উচিতও হবে না।’
২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের ভারত সফরের সময়েই মুম্বাইয়ে সেই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। অ্যান্ডারসন নিজে সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছেন। তবে সেই ঘটনার সঙ্গে এবারেরটি মেলানো যাবে না বলে মনে করেন তিনি, ‘এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। কারণ, এবার সফরের অনেক আগে ঘটনাটি ঘটেছে। ভারতে সেই ঘটনার সময় আমরা একতাবদ্ধ ছিলাম। সেই সফরের অভিজ্ঞতা আমাদের যাঁদের আছে, কেউ চাইলে তাঁদের কাছ থেকে অবশ্যই সাহায্য নিতে পারে। তবে দলের কেউ যদি এই সফরে যেতে অস্বস্তিতে থাকে, সে কোচ, অধিনায়ক বা ইসিবির কাউকে নিঃসন্দেহে বলতে পারে।’
এখন পর্যন্ত এই সফর বাতিল করা বা কেউ যাবে কি না, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বোর্ডের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের বলা হয়নি। তবে অ্যান্ডারসন স্বীকার করলেন, নিজেদের মধ্যে টুকটাক কিছু কথা তো হয়ই, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আপনি যখন এমন কোথাও যাবেন, সেখানে কয়েক মাসের মধ্যে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটেছে, আপনি তো বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজখবর নেবেনই। খেলোয়াড়দের মধ্যেও এ নিয়ে আলোচনা হবে।’
দুটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলতে ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা ইংল্যান্ডের। সূত্র : প্রথম অালো
২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের ভারত সফরের সময়েই মুম্বাইয়ে সেই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। অ্যান্ডারসন নিজে সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছেন। তবে সেই ঘটনার সঙ্গে এবারেরটি মেলানো যাবে না বলে মনে করেন তিনি, ‘এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। কারণ, এবার সফরের অনেক আগে ঘটনাটি ঘটেছে। ভারতে সেই ঘটনার সময় আমরা একতাবদ্ধ ছিলাম। সেই সফরের অভিজ্ঞতা আমাদের যাঁদের আছে, কেউ চাইলে তাঁদের কাছ থেকে অবশ্যই সাহায্য নিতে পারে। তবে দলের কেউ যদি এই সফরে যেতে অস্বস্তিতে থাকে, সে কোচ, অধিনায়ক বা ইসিবির কাউকে নিঃসন্দেহে বলতে পারে।’
এখন পর্যন্ত এই সফর বাতিল করা বা কেউ যাবে কি না, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বোর্ডের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের বলা হয়নি। তবে অ্যান্ডারসন স্বীকার করলেন, নিজেদের মধ্যে টুকটাক কিছু কথা তো হয়ই, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আপনি যখন এমন কোথাও যাবেন, সেখানে কয়েক মাসের মধ্যে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটেছে, আপনি তো বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজখবর নেবেনই। খেলোয়াড়দের মধ্যেও এ নিয়ে আলোচনা হবে।’
দুটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলতে ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা ইংল্যান্ডের। সূত্র : প্রথম অালো
Post a Comment