প্রাণপণে দৌড়ে রেসার্স গ্রাঁ প্রির ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ঠিকই সাফল্য পেয়েছেন বোল্ট
দৌড়ের শুরুটা একদমই ভালো হয়নি উসাইন বোল্টের। হোঁচট খেয়ে কোনো রকমে সামলে নিয়েছিলেন নিজেকে। শুরুতে তাই পিছিয়েও পড়েছিলেন কিছুটা। তবে বিশ্বের দ্রুততম মানবকে ঠেকানো যায়নি। শেষদিকে প্রাণপণে দৌড়ে রেসার্স গ্রাঁ প্রির ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ঠিকই সাফল্য পেয়েছেন বোল্ট।
শনিবার রাতে জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনে জ্যামাইকার গতি-দানবের টাইমিংও ছিল ভালো। ৯.৮৮ সেকেন্ডে সবার আগে ফিনিশিং টেপ ছুঁয়েছেন বোল্ট। গত মাসে চেক প্রজাতন্ত্রের ওসত্রাভায় একটি প্রতিযোগিতায় তাঁর টাইমিং ছিল ৯.৯৮ সেকেন্ড। কিংস্টনে শুরুটা ভালো হলে বছরের সেরা টাইমিংও হয়তো করে ফেলতেন ছয়টি অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী। ৯.৮৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে ২০১৬ সালে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ফ্রান্সের জিমি ভিকো।
তবে শুরুতে হোঁচট খেয়েও নিকেল অ্যাশমেড, ইয়োহান ব্লেক, আসাফা পাওয়েলদের মতো কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারাতে পেরে দারুণ খুশি ১০০ ও ২০০ মিটারে বিশ্বরেকর্ডের মালিক। শেষ ৫০ মিটারে ঝড়ের মতো দৌড়ে সাফল্যের পর ‘বজ্র বোল্ট’-এর উপলব্ধি, ‘দৌড়টা হয়তো নিখুঁত ছিল না। তবে সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো আমি জিতেছি আর চোটমুক্ত হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছি। চমৎকার একটা মৌসুম কাটাচ্ছি বলে আমি খুশি।’ শুরুর হোঁচট নিয়ে বোল্টের বক্তব্য, ‘আমি প্রায় পড়েই যাচ্ছিলাম। অনেক চেষ্টায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। এমনটা অবশ্য হতেই পারে। আমি শুধু চেষ্টা করেছি আতঙ্কিত না হয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।’
ইতিহাসের সফলতম স্প্রিন্টারের সামনে এখন অলিম্পিকের চ্যালেঞ্জ। ২০০৮ ও ২০১২ অলিম্পিকে ১০০, ২০০ ও ৪X১০০ মিটার রিলের স্বর্ণ জিতেছিলেন বোল্ট। আগামী আগস্টে রিও অলিম্পিকে এই কীর্তির পুনরাবৃত্তির লক্ষ্যে অ্যাথলেটিক ট্র্যাকে নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছেন জ্যামাইকার গতি-দানব।

Post a Comment