অামি বোলিং করতে সব সময়ই আগ্রহী। : সাব্বির
দলে মূলত তাঁর ভূমিকা ব্যাটসম্যান হিসেবেই। তবে পরিস্থিতি বুঝে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের আটকাতে কখনো আবির্ভূত হন বোলার হিসেবেও। লেগ স্পিন বোলিংয়ে এখনো অবশ্য সাফল্য পাননি খুব বেশি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৫ ম্যাচে পেয়েছেন
১১ উইকেট, ৯৪ লিস্ট ‘এ’-তে ৪৪ উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও উজ্জ্বল নয় তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান—২৩ ওয়ানডের ১১ ইনিংসে পেয়েছেন ২ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য তুলনামূলক কিছুটা সফল। ২৬ ম্যাচের ৮ ইনিংসে বোলিং করে পেয়েছেন ৬ উইকেট।
গত জানুয়ারিতে খুলনায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দেখা গিয়েছিল সাব্বিরের বোলিং ঝলক। ১১ রানে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট, যেটি তাঁর ক্যারিয়ারসেরা। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংও যে তাঁকে ভীষণ টানে, সেটিই কাল বললেন সাব্বির, ‘বোলিং করতে সব সময়ই আগ্রহী। ঘরোয়া ক্রিকেটে যে সংস্করণই হোক অধিনায়ককে বলি আমাকে বোলিংয়ে দাও। তবে বোলিংয়ে ছন্দে থাকার বিষয় থাকে। কয়েকটি উইকেট পেলেই ছন্দ আসবে। এর পর সেটি ধরে রাখার চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশ দল একজন লেগ স্পিনারের অভাব অনেক আগ থেকেই। সাব্বির তাই কাজে লাগাতে পারেন তাঁর লেগ স্পিনকে। তিনি অবশ্য চেষ্টা করছেন বোলার হিসেবে নিজেকে আরও ধারালো করতে, ‘কোচ সব সময়ই বলেন, ম্যাচে বোলিং করবে। মাশরাফি ভাইও বলেন, যখন সুযোগ হয় তোকে বোলিং দেওয়া হবে। যখনই সুযোগ পাই সেটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। বোলিং নিয়ে আমি কাজ করছি। বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে সামনে আরও ভালো করার চেষ্টা করব।’
ব্যাটিং, ফিল্ডিংয়ের পর যদি বোলিংয়েও ভালো করেন, সাব্বিরের পাশে বসে যাবে অলরাউন্ডার তকমাটাও।-প্রথম আলো
Post a Comment