পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতন কার জানেন?
পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতন কার জানেন? সম্প্রতি গণমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়া পাকিস্তানের সরকারি এক নথি থেকে জানা গেছে, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে ‘ধনী’ মোহাম্মদ হাফিজ। ২০১৫-১৬ সালে তিনি কেবল বোর্ড থেকেই বেতন-বোনাস বাবদ আয় করেছেন ৩ কোটি ৯০ লাখ পাকিস্তানি রুপি। এর সঙ্গে ঘরোয়া বিভিন্ন লিগ আর আর বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য উৎস থেকে আয় তো আছেই।
সম্প্রতি পাকিস্তানের আন্তপ্রাদেশিক আর্থিক সমন্বয় মন্ত্রণালয়ের কাছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পাঠানো এক নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪৬ পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বেতন-ভাতা, বোনাস ইত্যাদি বাবদ পিসিবির খরচ হয়েছে ৫৫ কোটি রুপি।
এই ৪৬ ক্রিকেটারের মধ্যে তিন ধরনের ফরম্যাটেই পাকিস্তানকে প্রতিনিধিত্ব করা খেলোয়াড়দের আয়টা বেশি। সরফরাজ আহমেদ যেমন এই সময় আয় করেছেন ৩ কোটি ৩০ লাখ রুপি। সরফরাজ সম্প্রতি পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হয়েছেন। তিনি টেস্ট ও ওয়ানডে দলেরও নিয়মিত সদস্য।
টেস্ট অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হকের আয় ২ কোটি ৪০ লাখ রুপি। ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে থেকে অবসর নেওয়ার কারণে তাঁর আয়ও কমে গেছে অন্যদের তুলনায়। সে কারণে ১৯৯৬ সাল থেকে পাকিস্তান দলে খেলে আসা তারকা ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদির আয়ও তুলনামূলকভাবে অনেক কম হয়েছে। গত এক বছরে কেবল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলায় তিনি আয় করেছেন ১ কোটি ৮০ লাখ রুপি।
পিসিবির এই প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঘরোয়া ক্রিকেটের ভর্তুকি বাবদ তাদের খরচটাও নেহাতই কম নয়। খেলোয়াড়দের আয়ের এই অঙ্কটা কর দিয়ে নাকি না দিয়ে, সে ব্যাপারে তেমন কিছু জানা যায়নি এই প্রতিবেদন থেকে।
পাকিস্তানের শীর্ষ ক্রিকেটারদের আয়:
মোহাম্মদ হাফিজ (৩ কোটি ৯০ লাখ রুপি)
আজহার আলী (৩ কোটি রুপি)
ইউনিস খান (২ কোটি ৪০ লাখ রুপি)
মিসবাহ-উল-হক (২ কোটি ৪০ লাখ রুপি)
আহমেদ শেহজাদ (২ কোটি ৮০ লাখ রুপি)
ওয়াহাব রিয়াজ (২ কোটি ৯০ লাখ রুপি)
শোয়েব মালিক (২ কোটি ৬০ লাখ রুপি)
আসাদ শফিক (২ কোটি রুপি)
শহীদ আফ্রিদি (১ কোটি ৮০ লাখ রুপি)
উমর আকমল (১ কোটি ৮০ লাখ রুপি)
রাহাত আলী (১ কোটি ৭০ লাখ রুপি)
মোহাম্মদ ইরফান (১ কোটি ৫০ লাখ রুপি)
মোহাম্মদ রিজওয়ান (১ কোটি ৪০ লাখ রুপি)
জুনাইদ খান (১ কোটি ৩০ লাখ রুপি)
আনোয়ার আলী (১ কোটি ২০ লাখ রুপি)
জুলফিকার বাবর (১ কোটি ১০ লাখ রুপি)
মোহাম্মদ হাফিজ (৩ কোটি ৯০ লাখ রুপি)
আজহার আলী (৩ কোটি রুপি)
ইউনিস খান (২ কোটি ৪০ লাখ রুপি)
মিসবাহ-উল-হক (২ কোটি ৪০ লাখ রুপি)
আহমেদ শেহজাদ (২ কোটি ৮০ লাখ রুপি)
ওয়াহাব রিয়াজ (২ কোটি ৯০ লাখ রুপি)
শোয়েব মালিক (২ কোটি ৬০ লাখ রুপি)
আসাদ শফিক (২ কোটি রুপি)
শহীদ আফ্রিদি (১ কোটি ৮০ লাখ রুপি)
উমর আকমল (১ কোটি ৮০ লাখ রুপি)
রাহাত আলী (১ কোটি ৭০ লাখ রুপি)
মোহাম্মদ ইরফান (১ কোটি ৫০ লাখ রুপি)
মোহাম্মদ রিজওয়ান (১ কোটি ৪০ লাখ রুপি)
জুনাইদ খান (১ কোটি ৩০ লাখ রুপি)
আনোয়ার আলী (১ কোটি ২০ লাখ রুপি)
জুলফিকার বাবর (১ কোটি ১০ লাখ রুপি)
Post a Comment